একসাথে ১০টি বল্টুর হাসির জোকস-বল্টুর হাসির গল্প জোকস কৌতুক


বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

অবশ্যই সম্পুর্ণ লেখাটি পড়বেন,
সম্পুর্ণ লেখাটি পড়লে বুঝতে সুবিধা হবে।
বল্টুর হাসির কৌতুক
চিত্রঃবল্টুর হাসির কৌতুক।

বল্টুর হাসির কৌতুকসমূহঃ

বল্টুর হাসির কৌতুক-১
বল্টু একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে ঢুকে দেখলেন, তিনটা দরজা রয়েছে।
১ম দরজায় লেখা আছে: বাঙ্গালি খাবার।
২য় দরজায় লেখা আছে: ইংরেজি খাবার।
৩য় দরজায় লেখা আছে: চায়নিজ খাবার ।
বল্টু তার পছন্দ অনুযায়ী চায়নিজ খাবারের দরজায় ঢুকলেন।সেখানে আরও দুইটি দরজা দেখতে পেলেন। ১ম দরজায় লেখা:বাড়ি নিয়ে খাবেন?২য় দরজায় লেখা:এখানেই খাবেন? বল্টু রেস্টুরেন্টেই খেতে চেয়ে ছিলেন,তাই এখানেই খাবেন লেখা দরজায় ঢুকলেন। .
সেখানে আরও দুটি দরজা দেখতে পেলেন বল্টু । ১ম দরজায় লেখা: এসি? ২য় দরজায় লেখা: নন,এসি? বল্টু এসি লেখা দরজায় ঢুকলেন।
সেখানে আরও দুইটি দরজা দেখতে পেলেন ১ম দরজায় লেখা: নগদ টাকায় খাবেন? ২য় দরজায় লেখা: বাকি টাকায় খাবেন?.
বল্টু ভাবলেন,বাকি টাকায় পেলে নগদ খাওয়ার দরকার কি?তাই বল্টু"বাকি টাকায় খাবেন"লেখা দরজাটা খুললেন,খুলতেই নিজেকে দেখতে পেলেন তিনি রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন ।😀😆😄আর বাইরে একটা দেয়াল এ লেখা "পাগলা হাওয়া খাঁ"...😄😃..😂🤣

বল্টুর হাসির কৌতুক-২
বল্টু কিছুতেই চাকরি
পেল না।তাই সে একটা
ক্লিনিক খুলে,বাইরে
লিখে দিল, “৫০০
টাকায় যেকোন রোগের
চিকিৎসা করানো হয়।
চিকিৎসা না হলে ১
হাজার টাকা ফেরৎ।“
এখন ছিরু ভাবলো
১ হাজার টাকা
ইনকাম করার ১টা
দারুণ সুযোগ...
তাই সে সেই ক্লিনিকে
গেল আর বলল “আমার
কোন জিনিষ খেলে কোন স্বাদ
পাই না।"
বল্টু:নার্সকে বলল, “২৫
নাম্বার বক্স থেকে
ওষুধ বার কর আর তিন
ফোটা
খাইয়ে দিন।“
নার্স খাইয়ে দিল।
রুগী (ছিরু)
“আরে, ওয়াক থু!
এটা তো প্রসাব
বল্টু:“অভিনন্দন..
দেখলেন,আমাদের ক্লিনিকের
কামাল। আপনি
টেস্টটা জিভে
পেয়ে গেলেন। এবার
আমাকে
আমার ৫০০ টাকা ফী দিন।😆
কিন্তু ছিরু বিষন চালাক-চতুর। ভাবল, একে
টাইট
দিতে হবে, আর
পয়সাটাও উঠাতে হবে।
তাই আবার কয়েকদিন
পর সে সেই ক্লিনিকে
এলো আবার।
ডাক্তার– “সাহেব,
আমার স্মৃতিশক্তি কমে
গেছে। কিছু মনে
থাকে না।
বল্টু: – “নার্স,
ছিরুকে সেই ২৫
নাম্বার বক্স থেকে তিন
ফোটা খাইয়ে দিন।“
রূগী (ছিরু)
“কিন্তু ডাক্তারবাবু, ওটা তো
স্বাদ ফিরে পাওয়ার ওষুধ।“
বল্টু:দেখলেন তো ওষুধ
খাওয়ার আগেই আপনার স্মৃতিশক্তি
ফিরে এসেছে। 😀😀দিন,
আমার ৫০০ টাকা।“
এবার ছিরু বেশ
রেগে বাড়ি গেল আর
আবার কয়েকদিন পর
ক্লিনিকে এসে বলল
“ডাক্তারবাবু, আমার
দৃষ্টিশক্তি একেবারেই কমে
গেছে। সবই খুব ঝাপসা
দেখি।
বল্টু: – “এই রোগের
কোন ওষুধ আমাদের
কাছে
নেই। এই নিন, আপনার
১০০০ টাকা।“
রুগী (ছিরু)
“কিন্তু এটা তো ৫০০
টাকার
নোট।“
বল্টু:বাহ!আপনার দৃষ্টিও ফেরৎ
এসে গেছে। 😁😁😁দিন আমার
৫০০ টাকা।“
ছিরু তো পুরাই মাডার🤪🤪🤪

বল্টুর হাসির কৌতুক-৩
বল্টু: দোস্ত আমাকে ২০০০ টাকা ধার দিবি?
৭ দিন পরেই দিয়ে দিবো।
আবুল:এই নে ২০০০ টাকা।
বল্টু: টাকা হাতে পেয়ে,
দোস্ত তুই,আমার অনেক বড় উপকার করলি..
তোর এই ঋণ কোনদিন শোধ করতে
পারবোনা।
২ মাস হয়ে যায় বল্টু আর টাকা দেয় না।
আবুল:কিরে আমার টাকাটা তো আর
দিলি না?
বল্টু:কিসের টাকা?
আবুল:এর মধ্যেই সব ভুলে গেলি?২ মাস
আগে ২০০০ টাকা নিয়েছিস।
বল্টু:তোকে না টাকা নেয়ার সময়েই
বলছি তোর
এই ঋণ আমি কোনদিন শোধ করতে
পারবোনা..
আবার কিসের টাকা😀😃😄😆😅

বল্টুর হাসির কৌতুক-৪
টিচারঃ বল্টু মেয়েদের
লজ্জাবেশি নাকি ছেলেদের বেশি?
বল্টুঃ ছেলেদের লজ্জা বেশি।
টিচারঃ কীভাবে?
বল্টুঃ স্যার, সব ফিল্মে মেয়েরা
হাফ প্যান্ট পরে আর ছেলেরা পরে
ফুল প্যান্ট।
টিচারঃ দাড়া
শয়তান!😜
টিচারঃবল্টু তুমি বড় নাকি
তুমার আব্বু বড়?
বল্টুঃআমি বড়।
টিচারঃকীভাবে?
বল্টুঃ স্যার, আমি এখন আমার
মায়ের সাথে ঘুমাই না, কিন্তু আমার আব্বু
এখনও আম্মুর সাথে ঘুমায়।🤣
টিচারঃ বেঁহুশ!
টিচারঃ বলতো বল্টু,সেলফি কী বা
কাকে বলে?
বল্টু: স্যার, মুখ, মুরগীর ঠোঁটের
মতো চুক্কা করে,মানষিক রোগীর
মতো ডাইনে বামে কাইত হইয়া চোখ
দুইডারে বাইরে এনে স্ব-হস্তে
ছবি তোলাকে সেলফি বলে🤮
বল্টুর হাসির কৌতুক-৫
বল্টু দৌড়ে ডাক্তারের কাছে
গিয়ে বলল..
বল্টু:ডাক্তার সাহেব আমার বউয়ের
বাচ্চা
হবে
আপনি চলেন!
ডাক্তার একটা কাঠের বক্স হাতে
নিয়ে
বলল,আমার বাইকের পেছনে বস।
তো বাসায় পৌছে ডাক্তার বল্টুর
বউ এর
রুমে
গেল আর বল্টু বাইরে অপেক্ষা করতে
লাগল?
৫ মিনিট পর ডাক্তার দরজা খুলতেই
বল্টু
জানতে চাইল,তার বউয়ের অবস্থা
কেমন?
ডাক্তার বলল যে, তোর এখানে
ছেনি
আছে?
বল্টু জানতে চাইল যে,ছেনি দিয়ে
কি
হবে..ডাক্তারের উত্তর যদি তোর
বউকে
বাচাতে চাস তো ছেনি
লাগবে..বল্টু ছেনি
এনে দিল।
১০ মিনিট পর ডাক্তার ঘর্মাক্ত শরীর
নিয়ে
বের হল।বল্টু জানতে চাইল তার
বউয়ের
কি
অবস্থা।
ডাক্তার বলল তোর বউকে যদি
বাচাতে চাস
তো একটা হাতুড়ি নিয়ে আয়।বল্টু
হাতুড়ি
এনে দিল।
আরো ১০ মিনিট পর ডাক্তার ক্লান্ত হয়ে
বের
হলো,তো
বল্টু জানতে চাইল তার বউয়ের
অবস্থা
কেমন?
ডাক্তার বলল একটা করাত এনে
দিতে
পারবি.
বল্টু তো রেগে আগুন,ওই তুমি কেমন
ডাক্তার,বাচ্চা হইতে কখনো এসব
লাগে!
ডাক্তার মৃদু স্বরে বলল,এতো
উত্তেজিত হইস
না বল্টু..আমি যে বাক্সটা নিয়ে
আসছি
ওটার
চাবি খুজে পাচ্ছি না তাই তালা
ভাঙ্গার
চেষ্টা করছি..
এই কথা শুইনা বল্টু বেহুশ!😁😁😁
বল্টুর হাসির কৌতুক-৬
১ বিদেশি আর বল্টুর মধ্যে কথোপকথন

বিদেশি:তোমরা এই ১টা দেশি প্যান্ট
(পাজামা) কত দিন ধরে পরো?
বল্টু: ১ বছর।
বিদেশী:-ব্যাস ১বছর? তার পর
ফেলে দাও?
বল্টু:না, বৌ এরা ওটা কেটে ছোটো
করে ছেলের
সাইজে করে দেয় আর সেটা ১বছর ধরে
ছেলে পরে।
বিদেশী:তারপর নিশ্চই ফেলে দাও?
বল্টু:- পাগল নাকি! ভালো নতুন পাজামা
কেও ফেলে!
বৌ ওটা কেটে বালিশের কভার বানিয়ে
দেয়
আর সেটা আরো ৬ মাস চলে যায়।
তারপর ঔ বালিশের কভার টা ঘর
মোছার
কাজে লেগে যায় আরো ৬ মাসের
জন্য।
বিদেশী: আর তো দেখছি পাজামার
কিছুই বেঁচে নেই তাই তখন
নিশ্চই ফেলে দাও?
বল্টু:আরে ধুর বাপু, ফেললেই হলো!!
ঘর
মোছা খারাপ হলে সেটা আরো ৬ মাস
জুতো
সাফ করতে কাজে লেগে যায়। তারপর
আরো কিছু
দিন বাইকের সাইলেন্সার চমকাতে কাজে
লাগে
তারপর সেটা হাতে বানানো কাপরের
বল বানিয়ে
চিন্টু (বল্টুর ছেলে) কিছুদিন খেলে। তার পর
যখন
একদম খারাপ
হয়ে যায় তখন উনুন ধরাতে কাজে লাগে,
আর
তার পর সেই ছাই দিয়ে বৌ বাসন মাজে.
জানিনা সেই বিদেশী বাকি কথা গুলো
শুনেছে কিনা
কারন বল্টু সব বলে যখন ফিরে
দেখলো বিদেশীর
দিকে ততখনে সেই বিদেশী অজ্ঞান হয়ে
পড়ে ছিল!😀😁😂🤣
বল্টুর হাসির কৌতুক-৭
বল্টু : ভাই,এই টিভি টার দাম কত?
দোকানদার : সরি!আমরা
মুর্খদের কাছে কিছু বিক্রয় করি না !😟
বল্টু ১ মাস পর দাড়ি সেভ করে , চুল স্টাইল
করে দোকানে গেল !
বল্টু : একটু ভাব নিয়ে ভাই এই
টিভিটার দাম কত ?
দোকানদার : সরি!আমরা
মুর্খদের কাছে কিছু বিক্রয় করি না !😒
বল্টু আবার কিছু দিন পর ঐ দোকানে
গেল, আর বলল " What is the cost of this tv?
দোকানদার আবার বলল : সরি!আমরা
মুর্খদের কাছে কিছু বিক্রয় করি না !😖
বল্টু : আপনে ক্যামনে বুজলেন আমি মুর্খ ?
দোকানদার : ফইন্নির পুত এটা টিভি না!মাইক্রো ওভেন🤪😜😝
বল্টুর হাসির কৌতুক-৮
পেমিকা:সোনা এবার ঈদ এ তুমি
আমাকে কিছু দিবা না?
বল্টু: বলো,তোমার কি চাই?সাধ্যের
মধ্যে হলে দিয়ে দিবো।
পেমিকা:আমার ১টা কিরণমালা জামা
লাগবে।
বল্টু: ঠিক আছে দিবো।
পেমিকা:আর ১টা সাইট ব্যাগ হইলে
মনে হয় মানান হতো।
বল্টু:ঠিক আছে এটাও দিবো
পেমিকা:সোনা আমার না জুতাও লাগবে?
বল্টু:দিব।
পেমিকা:ও আমার তো মনেই নাই। ১টা
মেক আপ লাগবেই।
বল্টু: ঠিক আছে দিব।
gf:জান তোমার কিছু চাওয়ার নেই
আমার কাছে?
বল্টু:আছে, তোমার বাবার ১টা ছেরা
পাঞ্জাবি আর ১টা কানা থালা
দিও,চৌরাস্তায় বসবো তোমার
ইচ্ছা মেটানোর জন্য।😛😜😝
বল্টুর হাসির কৌতুক-৯
বল্টু টয়লেটে বসে ফেসবুক চালাচ্ছে। হঠাৎ তার
মোবাইল ফোন কমোডে পরে গেল
বল্টু তখন কাঁদতে লাগলো।
এমন সময় একটি টয়লেট পরী আসলো।
সে বল্টুর দুঃখর কথা শুনে
কিছক্ষন পর একটি সোনার মোবাইল নিয়ে
এসে বল্টুকে দেখালো।
পরী: এটা কি তোমার?
বল্টু : আমি গরীব হতে পারি কিন্তু লোভী
না। আমাকে আমার আসল মোবাইল ফোন টা দাও।
পরী: আরে পাগলা,হলুদ রঙ দেখেই
সোনা ভাবিস না! ভালো করে ধুয়ে দেখ
এটা তোর মোবাইল ফোন।🤮🤮
বল্টুর হাসির কৌতুক-১০
বল্টুর তখন ১০ বছর বয়স।
১দিন দোকানে গিয়ে বলছে,
বল্টু:মামা,এক প্যাকেট আকিজ বিড়ি দেন তো।
দোকানদার: কেন? তুই কি বিড়ি খাস নাকি?
বল্টু :আরে না।আমি কি বিড়ি খাইতে পারি নাকি! বিড়ি
তো আমার ছোট ভাইয়ের জন্য।
আমাকে ১ প্যাকেট বেনসন দিন।😛😜😝
সকল গল্প ফেসবুক থেকে নেয়া হয়েছে।
ভিডিওঃ
এই রকম জোকস যেকোনো মানুষের মনকে ভালো করে দিতে পারে।তাই দেরি না করে ফেসবুকে শেয়ার করে দিন।
Tagsঃবল্টুর চাপাবাজি,বল্টুর ডায়লগ,নাট বল্টু,নাট বল্টুর কাণ্ডকারখানা,বল্টুর হাসির কৌতুক,বল্টু ও আবুল স্যার,আর বল্টু,বল্টু vs টুনি,বল্টুর চাপাবাজি,বল্টুর ডায়লগ,নাট বল্টু,নাট বল্টুর কাণ্ডকারখানা,বল্টুর হাসির কৌতুক,বল্টু ও আবুল স্যার আর বল্টু,বল্টু vs টুনি,হাসির গল্প বল্টু,বল্টুর হাসির জোকস,ভালো হাসির গল্প,বল্টু জোকস,খুব হাসির গল্প,হাসির কাহিনি,মজার হাসির গল্প,হাসির গল্প পড়তে চাই,হাসির গল্প বল্টু,বল্টুর হাসির জোকস,ভালো হাসির গল্প,বল্টু জোকস,খুব হাসির গল্প,হাসির কাহিনি,মজার হাসির গল্প,হাসির গল্প পড়তে চাই,বল্টুর হাসির জোকস,বল্টুর জোকস 2018,বল্টুর জোকস 2017,জোকস হাসির,হাসির জোকস 2017,ছোট জোকস,আবুলের মজার জোকস,বল্টুর মজার গল্প
বিঃদ্রঃ এই ব্লগে বিভিন্ন কনটেন্ট,ভিডিও ও ছবি বিভিন্ন ওয়েবসাইট/বই থেকে নেওয়া হতে পারে।আমরা আপনার মূল্যবান কনটেন্ট,অন্যের উপকারের লক্ষে শেয়ার করে থাকি।তবে আপনার যদি কোনও আপত্তি থাকে,তাহলে আমাদের কাছে অভিযোগ করুন।আপনার কনটেন্ট সরিয়ে ফেলা হবে।

0 Response to "একসাথে ১০টি বল্টুর হাসির জোকস-বল্টুর হাসির গল্প জোকস কৌতুক"

Post a Comment

Contact Form

Name

Email *

Message *