জেনে নিন সুরা ইয়াসিন ও তার ফজিলত


বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

অবশ্যই সম্পুর্ণ লেখাটি পড়বেন,
সম্পুর্ণ লেখাটি পড়লে বুঝতে সুবিধা হবে।

 জেনে নিন সুরা ইয়াসিন ও তার ফজিলত

 বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

ওয়াল কুরআনুল হাকিম। ইন্নাকা লামিনাল মুরছালিন। আ’লা সিরাতিল মুস্তাকিম। আনযিলাল আ’যিযির রাহিম।লিতুনযিরা ক্বাও মাম্মা উনযিরা আ-বা-উ হুম ফাহুম গাফিলুন।লা ক্বাদ হাক্কল ক্বাওলু আ’লা আকছারিহিম ফাহুম লা ইউমিনুন। ইয়া জালাল না ফি আ’না কিহিম আগলা লান ফাহিইয়া ইলাল আযকানি ফাহুম মুকমাহুন। ওয়া জাআ’লনা মিম বাইনি আইদিহিম ছাদ্দাও ওয়ামিন খালফিহিম ছাদ্দান ফা আগশাইনা হুম ফাহুম লা ইয়ূব ছিরুন।ওয়া ইউমিনুন। ইন্না মা তুনযিরু মানতি তাবাআ’যা যিকরা ওয়া খাশিয়ার রাহমানা বিল গায়িব। ফাবাশশিরহু বিমাগ ফিরাতিও ওয়া আজরিন কারিম। ইন্না নাহনু নুহয়িল মাওতা ওয়া নাকতুবু মা কাদ্দামু ওয়া আছরাহুম, ওয়া কুল্লা শাই ইন্ আহছাইনাহু ফি ইমামিম মুবিন।


ওয়াদরিব লাহুম মাছালান আছহাবাল কারিয়াহ। ইয জা-আ-হাল মুরছালিন। ইয আরছালনা ইলাইহিমুছ নাইনি ফাকায যাবুহুমা ফাআ’য যাযনা বিছালিছিন ফাকালু ইন্না ইলাই কুম মুছালুন। কালু মা আনতুম ইল্লা বাশারুম মিছলুনা ওয়া মা আনযালার রহমানু মিন শাই ইন ইন আনতুম ইল্লা তাকযিবুন। কালু রাব্বুনা ইয়া’লামু ইন্না ইলাইকুম লামুরছালুন। ওয়া মা আলাইনা ইল্লাল বালাগুল মবিন।


কালু ইন্না তাত্বাই ইয়ার না বিকুম, আইল্লাম তানতাহু লানারজুমান্নাকুম ওয়া লাইয়ামাছছান্না কুম মিন্না আ’যাবুন আলিম।কালু ত্বা-য়িরু কুম মাআ’কুম, আ-ইন যুককিরতুম, বাল আনতুম কাওমুম মুছরিফুন। ওয়া জা-আ মিন আকছাল মাদিনাতি রাজুলুই ইয়াছআ’ কালা ইয়া কাওমিত তাবিয়ূল মুরছালিনাত তাবিউ মাল লাইয়াছ আলুকুম আজরাওঁ ওয়া হুম মুহতাদুন। ওয়া মালি ইয়া লা আ’বুদুল্লাযি ফাত্বারানি ওয়া ইলাইহি তুরজাউন। য়া-আততিখিযু মিন দুনিহি আলিহাতান ইয়-ইউরিদনির রাহমানু বিদুররিল লা তুগনি আন্নি শাফাআ’তুহুম শাই আওঁ ওয়া লা ইউনকিযুন। ইন্নি ইযাল লাফি দ্বালালিম মুবিন।


ইন্নি আমানতু বিরাব্বিকুম ফাছমাউন। কিলাদ খুলিল জান্নাহ কালা ইয়া লাইতা কাওমি ইয়া’লামুন। বিমা গাফারালি রাব্বি ওয়া জাআ’লানি মিনাল মুকরিমিন। ওয়া মা অনযালনা আ’লা কামিহি মিমবা’দিহি মিন জুনুদম মিনাছ ছামা-ই ওয়া মা কুন্না মুনযিলিন। ইন কানাত ইল্লা ছাইহাতাওঁ ওয়া হিদাতান ফাইযা হুম খামিদুন। ইয়া–হাছরাতান আ’লাল ইবাদ, মা ইয়া’তিহিম মির রাছুলিন ইল্লা কানু বিহি ইয়াছ তাহযিউন। আলাম উয়ারাও কাম আহলাকনা কাবলাহুম মিনাল কুরুনি আন্না হুম ইলাইহিম লা ইয়ারজিউন। ওয়া ইনকুল লুল লাম্মা জামিউল লাদাইনা মুহদারুন। ওয়া আ-ইয়া তুল লাহুমুল আরদুল মাইতাহ, আহ আই নাহা ওয়া আখরাজনা মিনহা হাব্বান ফানিহু ইয়া কুলুন। ওয়া জাআ’লনা ফিহা জান্নাতিম মিন নাখিলিওঁ ওয়া আ’নাবিও ওয়া ফাজ্জারনা ফিহা মিনাল উ-ইউন। লিমা কুলু মিন ছামারিহি ওয়া মা আমিলাতহু আইদিহিম, আফালা ইয়াশকুরুন। ছুবহানাল্লাযি খালাকাল আযওয়াজা কুল্লাহা মিম্মাতুমবিতুল আরদু ওয়া মিন আনফুছিহিম ওয়া মিম্মা লা ইয়া’লামুন। ওয়া ইয়াতুল লাহুমুল লাইলু লাইলু নাছলাখু মিনহুন নাহারা ফাইযা হুম মুযলিমুন। ওয়াশ শামছু তাজরি লিমুছতাকার রিললাহা, যা-লিকা তাকদিরুল আযিযিল আ’লিম।ওয়াল কামার কাদ্দারনাহু মানাযিলা হাত্তা আ’দাকাল উরজুনিল কাদিম। লশ্ শামসু ইয়াম বাগি লাহা আন তুদরিকার কামার ওয়া লাল লাইলু ছাবিকুন নাহারি, ওয়া ফালাকিই ইয়াছ বাহুন। 


ওয়া আ-ইয়া তুললাহুম আন্না হামালনা যুররি-ইয়াতাহুম ফিল ফুলকিল মাশহুন।ওয়া খালাকনা লাহুম মিম মিছলিহি মা ইয়ারকাবন। ওয়া ইন্নাশা নুগরিক হুম ফালা ছারিখা লাহুম ওয়া লা হুম ইউনকাযুন। ইল্লা রাহমাতাম মিন্না ওয়া মাতাআ’ন ইলাহিন। ওয়া ইযা কিলা লাহুমুত তাকু মা বাইনা আইদিকুম ওয়া মা খালফাকুম লা আ’ল্লাকুম তুরহামুন। ওয়া মা তা’ তিহিম মিন আ-ইয়াতিম মিন আ-ইয়া-তি রা্ব্বিহিম ইল্লা বানু আনহা মু’রিদিন। ওয়া ইযা কিলা লাহুম আনফিকু মিম্মা রাযাকাকুমুল্লাহু, কালাল্লাযিনা কাফারু ল্লিাযিনা আ-মানু আ-নুতয়িমু মাল লাওয়াশ-উল্লাহ আত আ’মাহু, ইনআনতুম ইল্লাফি দ্বালালিম মুবিন।

ওয়া ইয়াকুলুনা মাতা হাযাল ওয়া’দু ইনকুনতুম ছাদিকিন। মা ইয়ান যুরুনা ইল্লাহ ছাইহাতাওঁ ওয়া হিদাতান তা খুযুহুম ওয়া হুম ইয়া খিছছিমুন।ফালা ইয়াছ তাত্বিউনা তাও ছিইয়াতাওঁ ওয়া লা ইলা আহলিহিম ইয়ার জিউন। ওয়া নুফিখাফিছ ‍ছুরি ফা ইযা হুম মিনাল আজদাছি ইলা রাব্বিহিম ইয়ানছিলুন।কালু ইয়া ওয়াই লানা মিম বাআ’ছানা মিম মারকাদিন। হাযা মা ওয়া আ’দর রাহমানু ওয়া ছাদাকাল মুরছালুন। ইন কানাত ইল্লা ছাইহাতাওঁ ওয়া হিদাতান ফা-ইযা হুম জামিউল লাদাইনা মুদারুন। ফাল ইয়াওমা লা তুযলামু নাফছুন শাইআওঁ ওয়া লা তুজযাওনা ইল্লা মা কুনতুম তা’মালুন। ইন্না আছহাবাল জান্নাতিল ইয়াওম ফি শুশুলিন ফাকিহুন। হুম ওয়া আয ওয়াজুহুম ফি যিলালিন আলাল আর-য়িকি মুত্তাকিউন। লাহুম ফিহা ফাকিহাতুও ওয়া লা হুম মা উয়াদ দাউন। ছালামুন কাওলাম মির রাব্বির রাহিম। ওয়াম তাযুল ইয়াও মা আইয়ুহাল মুজরিমুন। আলাম আ’হাদ ইলাইকুম ইয়া-বানি আ-দামা আল্লা তা’বুদুশ শাইত্বান্। ইন্নহু লাকুম আ’দুউ ভুম মুবিন।


ওয়া আনি’বুদুনি, হাযা ছিরাতুম মুছতাকিম। ওয়া লাকাদ আদাল্লা মিন কুম জিবিল্লান কাছিরা। আফালাম তাকুনু তা’কিলুন। হাযিহি জাহান্নামুল লাতি কুনতুম তুআ’দুন। ইছ লাওহাল ইয়াওমা বিমা কুনতুম তাকফুরুন। আল ইয়াওমা নাখকিসু আ’লা আফওয়াহিমি ওয়া তুকাল্লিমুনা আইদিম ওয়া তাশহাদু আরজুলু হুম বিমা কানু ইয়াকছিবুন।ওয়া লাও নাশাও লামাছাখনাহুম আ,লা মাকানাতিহিম ফামাছ তাত্বাউ’ মুদ্বিই ইয়াও ওয়া লা ইয়ার জিউন। ওয়া মাননুআ’ মমিরহু নুনাককিছহু ফিল খালকি, আফালা ইয়া কুলুন। ওয়া মা আ’ল্লামনাহুশ শি’রা ওয়া মা ইয়ামবাগি লাহু, ইন-হু ওয়া ইল্লা যিকরুওঁ ওয়া করআনুম মুবিন।


লি-ইউন যিরা মান কানা হাই-ইয়াওঁ ওয়া ইয়াহিক কাল কাওলু আলাল কাফিরিন। আওয়ালাম ইয়ারাও আন্না খালাকনা লাহুম মিম্মাআমিলাত আইদিনা আনআ’মান ফাহুম লাহা মালিকুন। ওয়া যাল লালনাহা লাহুম ফামিনহা রাকুবুহুম ওয়া মিনহা ইয়া’কুলুন। ওয়া লাহুম ফিহা মানাফিউ ওয়া মাশরির। আফালা ইয়ূনছারুন। লা ইয়াছতা ত্বিউ’না নাছরাহুম ওয়া হুম লা হুম জুনদুম মুহদারুন। ফালা ইয়াহযুনকা কাওলুহুম, ইন্না না’লামু মা ইউছিররুনা ওয়া মা ইউ’লিনুন। আওয়ালাম ইয়ারাল ইনছানু আন্না খালাকনাহু মিন নুতুফাতিন ফ-ইযা হুওয়া খাছিমুম মবিন।


ওয়া দ্বারাবা লানা মাছালাওঁ ওয়া নাছিইয়া খালকাহু, কালা মাই ইউহ্ যিল ইযামা ওয়া হি ইয়া রামিম। কুল ইউহ্ য়িহাল লাযি আনশাআ হা আও ওয়ালা মাররাহ।ওয়া হুওয়া বিকুল্লি খালকিন আলিম। আল্লাযি জাআ’লা লাকুম মিনাশ শাজারিল আখদারি নারান ফ-ইযা আনতুম মিনহু তুকিদুন। আওয়া লাইছা ল্লাযি খালাকাছ। ছামাওয়াতি ওয়াল আরদা বিকাদিরিন আ’লা আই ইয়াখলুকা মিছলাহুম, বালা ওয়া হুওয়াল খাল্লাকুল আলিম । ইন্নামা আমরুহ ইয়া আরাদা শাই য়ান আই ইয়াকুলু লাহু কুন ফা-ইয়াকুন। ফাছুবহানাল্লি বিইয়াদিহি মালাকুতি কুল্লি শাইয়িওঁ ওয়া ইলাইহি তুরজাউন।


সূরা ইয়াসিনের ফযিলতঃ


মানুষের প্রতি মহান আল্লাহর সবচেয়ে বড় রহমত হলো এই পবিত্র কোরআন।পবিত্র কোরআনের প্রতিটি শব্দ ও অক্ষরই সীমাহীন বরকত পূর্ণৃ। আমরা একানে কোরআরের কয়েকটি সূরা সম্পর্কে আলোচনা করছি। বিশ্বনবী(সাঃ)বলেছেন, সমস্ত নফল ইবাদতের ভেতরে আল্লাহর কোরআন তেলওয়াত করা সবচেয়ে উত্তম।


০১। বিশ্বনবী (সাঃ)বলেছেন, সূরা ইয়াসিন একবার কোন ব্যাক্তি তেলওয়াত করলে সে দশবার কোরআন খতম দেয়ার সওয়াব লাভ করবে।


০২। বিশ্বনবী (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যাক্তি রাতে ঘুমানোর সময় সূরা ইয়াসিন তেলওয়াত করে ঘমাবে সে নিষ্পাপ অবস্থায় ঘম থেকে জাগরিত হবে। আল্লাহ তার গোনাহ মাফ করে দিবেন।


০৩। যে ব্যাক্তি নিয়মিত সূরা ইয়াসিন নিয়মিত তেলওয়াত করবে কিয়ামতের ‍দিনে এ সূরা তার জন্য আল্লাহর দরবারে সুপারিশ করবে।


০৪। ঈমানদার কোন ব্যাক্তি সূরা ইয়াসিন নিয়মিত তেলওয়াত করলে তার জন্য আল্লহর জান্নাতের আটটি দরোজা খোলা হবে।


০৫।মুমুর্ষৃ ব্যক্তির কাছে সূরা ইয়াছিন তেলওয়াত করলে তার মৃত্যু যন্ত্রণা লাঘব হবে।কবরে সওয়াল জওয়াব সহজ হবে।


০৬। বিপদের মুহুর্তে সূরা ইয়াসিন পাঠ করলে সে বিপদ থেকে মুক্তি লাভ করবে।


০৭। নিয়মিত সূরা ইয়াছিন পাঠ করলে মহান আল্লাহ তার মনের জায়েজ আশা পূরণ করে দিবেন।


০৮।এই সূরা লিখে সাথে রাখলে আল্লাহ তাকে বিপদ আপদ থেকে হেফাজত করবে।


০৯। প্রতিদিন সকালে এই সুরা তেলওয়াত করলে সে ব্যাক্তির সমস্ত কাজ সহজ হবে, আর্থিক সচ্ছলতা আসবে, গোটা দিন সে ব্যাক্তি আল্লাহর রহমতের ভেতরে থাকবে। যে কোন মহমারী থেকে নিরাপদ থাকবে। শত্রুর ষড়যন্ত্র থেকে আল্লাহ তাকে হেফাজত করবেন।


১০। সূরা ইয়াসিন তেওয়াতকারীকে আল্লহ জালিমের জুলুম থেকে হেফাজত করবেন। বিশ্বনবী (সাঃ)বলেছেন, প্রতিটি জিনসেরই কালব থেকে, সূরা ইয়াছিন হলো গোটা কোরআনের কালব।


আরো নতুন টিপস পেতে সাথেই থাকুন। 

ভালো লাগলে আমারদের সাইট থেকে ঘুরে আসবেন tipsnewsbd.com

বিঃদ্রঃ এই ব্লগে বিভিন্ন কনটেন্ট,ভিডিও ও ছবি বিভিন্ন ওয়েবসাইট/বই থেকে নেওয়া হতে পারে।আমরা আপনার মূল্যবান কনটেন্ট,অন্যের উপকারের লক্ষে শেয়ার করে থাকি।তবে আপনার যদি কোনও আপত্তি থাকে,তাহলে আমাদের কাছে অভিযোগ করুন।আপনার কনটেন্ট সরিয়ে ফেলা হবে।

0 Response to "জেনে নিন সুরা ইয়াসিন ও তার ফজিলত"

Post a Comment

Contact Form

Name

Email *

Message *